সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

বাংলার তাজমহল মসজিদ

প্রকাশের সময়: ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ - শনিবার | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯

 

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

ভারতের আগ্রার তাজমহল গোটা বিশ্বের মানুষের মনোযোগ কেড়েছে। তাজমহলের স্থাপত্যশৈলীতে মুগ্ধ মুসলিম-অমুসলিম সবাই। তাই বিভিন্ন দেশে আগ্রার তাজমহলের আদলে গড়ে উঠেছে স্থাপনা। কোথাও সে আদলে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে মিরসরাইয়ে।

চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরনো মহাসড়কের জোরারগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে এই মসজিদের অবস্থান; যাকে স্থানীয় লোকজন একনামে তাজমহল মসজিদ নামে চেনে। পুরো এক একর জমির ওপর একটি মসজিদ, দুটি একাডেমিক ভবন, মসজিদের দুই পাশে দুটি পুকুর। এতে রয়েছে শান বাঁধানো ঘাট। মধ্যখানে রয়েছে সবুজ ঘাসের বেষ্টনী আর ফ্লোর করা বিশাল মাঠ।

বাইরে থেকে দেখতে অনেকটা ভারতের আগ্রার তাজমহলের মতো। ধবধবে সাদা রঙে আবৃত মসজিদটি একনজর দেখার জন্য অনেকে ছুটে আসে। অনেকে আবার খালি মসজিদ এবং মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে স্মৃতির পাতায় রেখে দিয়েছে। কার্পেটিং করা সড়ক ঘেঁষে চার দেয়ালের সীমানাপ্রাচীরের মধ্যখানে এমন একটি মসজিদ দেখার অনুভূতি অনেকেরই জাগতে পারে।

মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ১৯৯১ সালে। স্থানীয় ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মরহুম মৌলভি নজির আহমদের ছেলে প্রয়াত আলহাজ সফিউল্লাহ তাঁর নিজস্ব জমিতে এই মসজিদ স্থাপন করেন। সে সময় তিনি প্রায়ই ভারতে সফরে যেতেন। তখন তিনি তাজমহলের সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধ হন। পরে তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে তাজমহলের আদলে দেশে একটি মসজিদ নির্মাণ করবেন। সেখানে এক প্রকৌশলীর সহায়তায় আগ্রার ওই পুরো তাজমহলের আদলে হার্ডবোর্ডে সম্পূর্ণ একটি নকশা তৈরি করেন, যা পরে তিনি স্বদেশে এসে প্রকৌশলীর সহায়তায় স্থানীয় বিল্ডিংয়ের ঠিকাদার তোফায়েলকে এটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেন। তিনি দীর্ঘ সময় ব্যয় করে অতঃপর সম্পূর্ণ মসজিদটি নির্মাণ করেন।

মসজিদটি দোতলাবিশিষ্ট, যার নিচতলায় পুরুষরা একসঙ্গে জামায়াতে ২৫০ জন আর দোতলায় অনুরূপ নারীসহ মোট ৫০০ জন নামাজ আদায় করতে পারে।

উপরে