রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

মুক্তিযুদ্ধাদের কবর একই ডিজাইনের হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশের সময়: ৮:৩১ অপরাহ্ণ - শনিবার | জানুয়ারি ২৫, ২০২০

currentnews

মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধাদের কবর একই ডিজাইনের হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রত্যেক মুক্তিযুদ্ধাদের বক্তব্য রেকর্ড করা হবে। যাতে এখান থেকে পরবর্তী প্রজন্ম কিছু শিখতে পারে এবং গবেষকরা গবেষণা করতে পারেন।

শনিবার দুপুরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৌলভীবাজার জেলার সদর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা ভবন উদ্বোধন ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সরকারি অফিসে মুক্তিযুদ্ধারা ঢোকার পর তাদের পরিচয়পত্র দেখানো মাত্রই তাদের জন্য একটি আসন সংরক্ষিত করে রাখা হবে। মুক্তিযুদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে সরকারি ফান্ড দেয়া হয়েছে। যে সব ডাক্তার মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় অবহেলা করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের নামে প্রতিটি এলাকায় একটি রাস্তা করারও আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় সাবেক বিচারপতি এসকে সিনহার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আপনাদের (মৌলভীবাজার) এলাকায় জন্ম নিয়েছিল সাবেক প্রধান বিচারপতি কুলাঙ্গার এস কে সিনহা। সে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল। এর খেসারত তাকে দিতেই হবে। দুর্নীতিবাজ এই বিচারপতির বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। তাকে পলাতকই থাকতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনাকারী। জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার না করার জন্য জিয়াউর রহমান আইন করেছিল। জিয়াউর রহমান রাজাকারদের দিয়েই মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। মুক্তিযুদ্ধের ব্যতিক্রমী স্থানগুলো সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। যাতে এই স্থানগুলো দেখে তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু শিখতে পারে।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মল্লিকা দের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহিদ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ, মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ আসনের সংরক্ষিত মহিলা এমপি সৈয়দা জহোরা আলাউদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ও সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার জামাল উদ্দিন প্রমুখ। এ ছাড়াও জেলার মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন স্থরের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপরে