বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০ | ১লা শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

কেমন কাটলো এবারের ঈদুল ফিতর

প্রকাশের সময়: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | মে ২৬, ২০২০

currentnews

গোলাম রব্বানী-টিটু,শেরপুর : করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ মহামারিতে জীবন যাত্রা থমকে গেছে । সারা বিশ্বের ন্যায় আমাদের বাংলাদেশে এই ভাইরাসের প্রভাবে রাষ্ঠ থেকে শুরু করে ব্যাক্তিমালিকানা ও সংসার পর্যন্ত করোনার গ্রাসে অর্থনৈতিকের মূল শক্তির চাঁকা বন্ধ হয়ে গেছে । এই দূর্যোগ সময়ে মুসলমানজাতীর পবিত্র মাহে রমজান পালন শেষে ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করতে হয়েছে । যা ইতিহাসের পাতায় এশটি অন্যরকম ঈদ পালন করতে হয়েছে জাতীকে । ঈদ মানে খুশি আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়ে উল্লাসে মেতে উঠবে সারা বিশ্বের মুসলমান জাতী । আজ এই করোনার জন্যে মানুষের জীবনে ব্যাতিক্রম ভাবে এক দৃষ্টান্ত ঈদ উদযাপন করতে হয়েছে যা কখোনও ভ’লার নয় । সরকারের নির্দেশে পাড়া মহল্লায় মসজিদে ,মসজিদে সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রেখে ঈদের জামাত পড়তে হয়েছে । যেখানে ছিলনা একজন অন্যজনকে কোলাকুলি ও ঈদের আমেজ । আবার অনেক জায়গায় সামজিক নিরাপত্তার বালাই ছিল না । ঈদ কেটেছে এক নিরবতা নির্জন সময়ের মধ্য দিয়ে । আপনজন ও আত্বীয় স্বজন ব্যাতী রেখে দাওয়াত না দিয়ে পালন করতে হয়েছে এবারের ঈদ । আবার অনেকেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আত্বীয় স্বজনের মধ্য থেকে নিন্মতম ঈদের আনন্দটুকো কেড়ে নিয়েছে কোভিড-১৯ । চিনের উহান শহর শহর থেকে এই ভাইরাসের প্রার্দুভাব হলে সারা বিশ্বের জাতী তা মাথায় নিয়ে থেমে নেই চলছে নিরবে তাদের কাজকর্ম জীবনযাত্রা । ইতি মধ্যেই এই কোভিড-১৯ বিশ্বকে ভাবিয়ে তুলেছে । আমাদের দেশের সরকার প্রধান জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনা করোনা মোকাবেলায় মানুষের জন্যে বিভিন্ন প্রণোদনা ঘোষনা করে সাহস যোগিয়েছেন জাতীকে । তার সাহসের নির্দেশে মানুষের পাশে থেকেছে সিভিল প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী সহ অনেক জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি অনেক সেচ্ছাসেবী সংঘঠন এগিয়ে এসেছে যা প্রশংসার দাবিদার। কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে থেকে সামান্যতম হলেও ত্রাণ,ঈদসামগ্রী ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে ।সরকার প্রধানকে আরো দৃঢ়তার সাথে প্রত্যেক সেক্টরে খোঁজ খবর নিয়ে তাদের পাশে থাকবেন এমনি প্রত্যাশা জনসাধারণের । বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে কেবলমাত্র পা বাড়িয়েছে এই মহুর্তে করোনায় লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে অর্থ নৈতিক চাঁকা । একে মোকাবিলা করেই জাতীকে আবার সামনে এগুতে হবে । আমাদের দেশের সিমানস্তবর্তী শেরপুর জেলার কলকারখানা বিহীন ঝিনাইগাতী উপজেলার মানুষ দারিদ্রতার সিমার নিচে বসবাস করে থাকে । এদের দু:খের শেষ নেই কষ্টে ত্রাণ ও সরকারের বরাদ্দ থেকে সহায়তা পেয়ে জীবন যাপন করছেন । এই উপজেলার জন্যে সরকার বাহাদুর বিশেষ প্রণোদনা দিবেন বলে অনেক সূধি মহল মতামত দিয়েছেন।

উপরে