রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২০ | ২১শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

শ্রমিক ছাঁটাই প্রসঙ্গে সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চায় সরকার

প্রকাশের সময়: ১২:০২ পূর্বাহ্ণ - রবিবার | জুন ৭, ২০২০

currentnews

করোনায় পোশাকের ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে চলতি মাস থেকেই শ্রমিক ছাঁটাইয়ের শঙ্কা প্রকাশ করেছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। এক্ষেত্রে আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের যৌক্তিক কারণ আছে কি না তা জানতে চাচ্ছে সরকার।

বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হকের শ্রমিক ছাঁটাই সংক্রান্ত ঘোষণার পর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরকে পুরো বিষয়ে খোঁজ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘দেশের জাতীয় আয়ে পোশাক খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য এ খাতের শ্রমিকদের জীবিকার কথা ভেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন। এর মাত্র তিন মাসের মধ্যে পোশাক মালিকরা কেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। আমরা বরাবরই মালিকপক্ষকে বলে এসেছি, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে যেন কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই না করা হয়।’

মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘পোশাক খাতের কারণে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ যেমন পরিচিত, তেমনই এ খাতের শ্রমিকদের বিষয়ে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের যেন দুর্নাম না হয়, এ বিষয়ে সরকার বরাবরই যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে আসছে। কারণ, এর সাথে দেশের সুনাম বা ইমেজ জড়িত।’

রুবানা হক বলেছিলেন, করোনা মহামারির প্রভাবে পোশাকের ক্রয়াদেশ ৫৫ শতাংশে নেমে এসেছে। সে কারণেই চলতি জুন থেকে কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের ছাঁটাই করতে হতে পারে।

তিনি আরো বলেছিলেন, ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের জন্য কোনো তহবিল গঠন করা যায় কি না, সরকারের সঙ্গে বসে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো তহবিলের বিষয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা হয়নি।’

 

উপরে