শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০ | ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় কেউ নেই যুক্তরাষ্ট্রের পাশে

প্রকাশের সময়: ১২:১৪ অপরাহ্ণ - সোমবার | সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

currentnews

ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাষ্ট্রের পাশে নেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কেউই। ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করতে এককভাবে ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

নিরাপত্তা পরিষদের বাকি স্থায়ী সদস্য দেশগুলো ভিন্নমত পোষণ করলেও এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে তারা।

তবে আইনগত কোনো ভিত্তি না থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং ইরান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক বিবৃতিতে হুমকি দিয়ে বলেছেন, জাতিসংঘের কোনো সদস্য দেশ যদি এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সঙ্গে একমত পোষণ না করে তাহলে তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০১৫ সালে ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত চুক্তিতে বলা হয়, শর্ত মেনে চললে তেহরানের ওপর আরোপিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা পুনরায় আর বাড়ানো হবে না। তবে দুই বছর আগে ওই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করতে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোকে রোববার পর্যন্ত সময় বেধে দেয়।

এছাড়া ইরানের ওপর আরোপিত আরও একটি অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আগামী মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে এর সব নিষেধাজ্ঞাই ইরানের ওপর পুনর্বহাল হোক।

রোববার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো যদি এসব নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হয় তাহলে ওই ব্যর্থ রাষ্ট্রগুলোর পরিণতি ভোগ করাতে এবং ইরান যেন জাতিসংঘের নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরু করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কর্তৃপক্ষগুলোকে ব্যবহার করতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।’

ইরানের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করতে প্রায় এক মাস আগে থেকেই উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

তবে নিরাপত্তা পরিষদের অপর চারটি স্থায়ী সদস্যসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাতে সাড়া দেয়নি। নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো এক চিঠিতে ২০১৫ সালের চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিন ইউরোপীয় দেশ যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার শিথিলতা অব্যাহত থাকা উচিত।

ওই চিঠিতে বলা হয়, সেসব নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা কর্মকাণ্ড আইনগত প্রায়োগিক শর্ত পূরণে সক্ষম হবে না।

উপরে