বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

কালকিনিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন, বন্ধু গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ৬:০০ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | মার্চ ৪, ২০২২
কালকিনিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন, বন্ধু গ্রেফতার

কালকিনিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন, বন্ধু গ্রেফতার

currentnews

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি ॥ মাদারীপুরের কালকিনিতে নিজ ঘর ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থী জহিরুলকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার অবশেষে জট খুললো। জহিরুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বন্ধু নুরুজ্জামানের গোপন ভিডিও ধারণ করার কারণেই সংবাদ সম্মেলনে এমনেই দাবি করেছে পুলিশ সুপার। এ হত্যার ঘটনার ৮দিন পর একমাত্র অভিযুক্ত বন্ধু নুরুজ্জামানকে রাজধানীর শ্যামপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার সূত্র থেকে জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার্থী জহিরুল সরদারের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয় মাদারীপুরের কালকিনির মহরুদ্দিরচর এলাকায় নিজ ঘর থেকে। এই ঘটনার পরে নিহতের বড়ভাই শাহীন সরদার অজ্ঞাতদের আসামী করে কালকিনি থানায় মামলা করলে থানার পুলিশের পাশাপাশি জেলার গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তে নামে। এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে রাজধানীর শ্যামপুর থেকে বুধবার (২ মার্চ) রাতে বন্ধু নুরুজ্জামান ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় নিহত জহিরুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন।

পরে এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, নুরুজ্জামানের একটি গোপন ভিডিও ধারণ করার কারণেই জহিরুলকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে গ্রেফতারের পর তাকে পাঠানো হয় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। সেখানে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় অভিযুক্ত নুরুজ্জামান।

তিনি আরো জানান, জহিরুল ও নুরুজ্জামান এক পতিতার সাথে মেলামেশা করত। পতিতার সাথে মেলামেশার গোপান ভিডিও করে রাখে জহিরুল। এই ভিডিও দেখিয়ে নুরুজ্জামানকে মানসিক চাপে রাখে জহিরুল। একারণে ভিডিও উদ্ধারের জন্যই জহিরুলকে হত্যা করে বলে জানান।
নিহত জহিরুল কাতার প্রবাসী বারেক সরদারের ছেলে। সে সমিতিরহাট আবা খালেক মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো।

আর্কাইভ

বিজ্ঞাপন

উপরে