শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১ | ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার ১০টি উপায়

প্রকাশের সময়: ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ - বুধবার | মার্চ ২৫, ২০২০

currentnews

ডেস্ক রিপোর্ট : সৃষ্টির শুরু থেকেই শয়তান মানুষকে নানাভাবে কুমন্ত্রণা দিয়ে আসছে। দুনিয়াতে একজন মুমিন অবশিষ্ট থাকা অবস্থায় শয়তানের এ কাজ অবশিষ্ট থাকবে। শয়তান আল্লাহকে ওয়াদা করেছিল মানুষকে জাহান্নামে নেয়ার জন্য কুমন্ত্রণা দিবে।

সাহাবিরাও এমন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, সাহাবিদের একটি দল হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলো, আমরা আমাদের অন্তরে কখনো কখনো এমন বিষয় অনুভব করি, যা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা আমাদের কাছে খুব কঠিন মনে হয়। হজরত রাসূল (সা.) বললেন, সত্যিই কি তোমরা এ রকম পেয়ে থাক? তারা বললেন, হ্যাঁ; আমরা এ রকম অনুভব করি। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, এটি তোমাদের ঈমানের স্পষ্ট প্রমাণ।

শয়তানের কুমন্ত্রণার কারনেই অনেক অপরাধ সংঘটিত হয়। তাই শয়তান থেকে আত্মরক্ষার দশটি উপায়ঃ

১. সুরা ফালাক ও সুরা নাস তেলাওয়াত করা;

২. আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করা;

৩. সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা;

৪. সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তেলাওয়াত করা;

৫. সুরা গাফির এর প্রথম তিন আয়াত তেলাওয়াত করা;

৬. আল্লাহর কাছে শয়তানের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়া;

৭. প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহকে স্মরণ করা

৮. ভাল ভাবে ওজু করা এবং সালাত আদায় করা;

৯. অনর্থক এদিক সেদিক খেয়াল করা, অসার কথা বলা, অতিরিক্ত খাওয়া ও অহেতুক লোকজনের সাথে মেলামেশা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।

১০. “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু, লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদীর” একশত বার পড়া যার অর্থ – আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তারই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর, তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

উপরে